পিদুস 15 মিলিগ্রাম ট্যাবলেট: ব্যাবহার বিধি, পার্শ্ব পতিক্রিয়া এবং বিস্তারিত বিবরণ
সমস্ত পাঠকবৃন্দের সুস্বাগতম! আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমরা পরিচিত একটি ট্যাবলেট, Pidus 15 মিলিগ্রাম নিয়ে আলোচনা করব। এই পোষ্টে আপনারা জানতে পারবেন এই ঔষধের ব্যাবহার বিধি, সঠিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এবং অন্যান্য তথ্য। সুতরাং চলুন পোষ্টটি পড়ে জেনে নেই এই Pidus 15 মিলিগ্রাম ট্যাবলেট নিয়ে সবকিছু।
মেডিসিনের নামঃ | Pidus |
মেডিসিনের ধরনঃ | ট্যাবলেট |
জেনেরিক নামঃ | Pioglitazone |
মেডিসিনের পাওয়ারঃ | 15 মি.গ্রাম |
উৎপাদনকারী কোম্পানিঃ | একম লেবরেটরিস লিঃ |
প্রতি ইউনিটের মূল্যঃ | ৮.০৭ টাকা |
Pidus 15 mg এর প্রয়োজনীয় তথ্য
পিডুস ১৫ এমজি এর ব্যবহারের আগে আপনাকে জেনে নেওয়া প্রয়োজনীয় তথ্য গুলো হলো- টাইপ II ডায়াবেটিস (NIDDM) এর রোগীদের গ্লাইসেমিক নিয়ন্ত্রণ উন্নয়নে পিওগ্লিটাজোন সংক্রান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়। পিওগ্লিটাজোন কমবিনেশন থেরাপি হিসেবে এই ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। পিওগ্লিটাজোন মূলত ওরাল অ্যান্টি ডায়াবেটিক বিভাগের একটি জনপ্রিয় মেডিসিন এর নাম। টাইজোলিডিন্ডাইওনের একটি সদস্য এর মাধ্যমে এই মেডিসিনটি ইনসুলিন দ্বারা প্রভাবিত হয়। এটি ব্যক্তির পেরিফেরালে এবং লিভারে ইনসুলিনের সাথে ইনসুলিন প্রতিপালন এবং হেপাটিক গ্লুকোজ উৎস নির্মূল করে। পিওগ্লিটাজোন ১৫ এমজি অথবা ৩০ এমজি মোনোথেরাপি দিয়ে শুরু করা যায় এবং ৪৫ এমজি সেইম মাত্রার মরমত বেশি হবার নির্দেশ আছে।
Pidus 15 mg এর ব্যাবহার
প্রকাশিত উপাদানগুলি অনুসারে পিডস ১৫ মিলিগ্রাম এর ব্যাবহার আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করাতে সাহায্য করবে। আপনি এটি দারুণভাবে খাওয়ার পরামর্শ পাবেন কারণ আপনি দারুণ ফল পাবেন। এটি পিওগলিটাজোনের একটি সদস্য, যা ওয়ারফিন হিসেবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে উল্লেখ করা হয়। এটি কল্পিত আন্তর্জাতিক টিভিসিকো উপাদানের একটি সদস্য যা ইনসুলিনের উপস্থিতিতে কাজ করে এবং ফলস্বরূপ প্রবাহে প্রভাবিত করে ডিসপোজাল ও কমপক্ষে ইনসুলিন এর জন্য দৈহিক খাদ্য প্রস্তুতি করা বৃদ্ধি এবং হেপাটিক খাদ্য উত্স কম। ব্যক্তিগতভাবে ডিএটি এবং ব্যায়াম বিধির সহায়তায় ডায়াবেটিস সেক্ষাপত্তা বৃদ্ধি পাওয়া যায়। পিডস এর অধিক ক্ষতিকর বিষয় প্লেসবো কন্ট্রোল করা হয়নি এবং শিশুদের সাথে ব্যবহার করার উপর ঠিক জ্ঞান নেই।
Pidus 15 mg এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
পাইয়োগ্লিটাজন 15 মিলিগ্রাম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা হলো উল্লেখযোগ্য সর্দি- কাশি (13.2%) এবং সিরেবাদ (9.1%)। তবে সঠিকভাবে এই ওষুধ সেবন করা হলে, ডায়াবেটিস টাইপ ২ এর রোগীদের সাথে প্রস্ততি আরো উন্নতি হয়। পাইয়োগ্লিটাজন ইনসুলিন রক্ষায় নির্ভরশীল, এটি রোগীদের পার্শ্বে ইনসুলিন বেশি সৃষ্টি করে ও গ্লুকোজ উপক্ষেপে সাহায্য করে। আবশ্যিকতা মেটফরমিন অথবা সালফনিউলুরিয়া সম্মিশ্রিত দ্বিধা সেবন না করলে নিম্নস্বার্থক সেবনের কারনে এটি নিয়ন্ত্রণ না হলেও ইনডিভিডুয়ালি নিত্যদিনে পরিমাণ গ্রহণ করা হবে। পাইয়োগ্লিটাজন শিশু, গর্ভবতী মা এবং যান্ত্রিক সমস্যার দায়িত্ব নেওয়া হলে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
বিঃ দ্রঃ এই পোষ্টে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্যগত উদ্দেশ্যে শেয়ার করা হয়েছে। এখানে উল্লেখিত ঔষধ সম্পর্কে শুধুমাত্র মৌলিক তথ্য প্রদান করা হয়েছে। কোন অবস্থাতেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ গ্রহণ করা উচিত নয়। যদি কেউ ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত ঔষধ গ্রহণ করেন এবং এর ফলে কোন ক্ষতির সম্মুখীন হন, তাহলে আমাদের ওয়েবসাইট বা এর কোন লেখক সেই ক্ষতির জন্য দায়ী থাকবে না। আপনার সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।