প্রাইড 4 মি.গ্রাম ট্যাবলেট: ব্যাবহার বিধি, পার্শ্ব পতিক্রিয়া এবং বিস্তারিত

হ্যালো প্রিয় পাঠকগণ, আজকের এই পোস্টে আমরা একটি চিকিৎসা শব্দে Pride 4 mg Tablet এর উপর দিকগুলো বিস্তারিত দেখব। এই পোস্টে আমরা জানব এই ট্যাবলেট এর ব্যবহার বিধি, পার্শ্ব পতিক্রিয়া এবং বিস্তারিত বিবরণ সহ। আসুন পোস্টটি পড়ে এই ঔষধ নিয়ে আপনি একটি নিরাপদ সিদ্ধান্ত নিন।

মেডিসিনের নামঃ Pride
মেডিসিনের ধরনঃ ট্যাবলেট
জেনেরিক নামঃ গ্লাইমেপিরাইড
মেডিসিনের পাওয়ারঃ 4 মি.গ্রাম
উৎপাদনকারী কোম্পানিঃ The White Horse Pharmaceuticals Ltd.
প্রতি ইউনিটের মূল্যঃ ৳ 12.00

প্রাইড 4 এমজি এর ব্যবহার

গ্লিমেপিরাইড হল একটি সালফনিলুরেআ এন্টিডায়াবেটিক প্রকৃতির ঔষধ। এটি রক্ত গ্লুকোজ মাত্রা হ্রাস করে। গ্লিমেপিরাইডের প্রাথমিক ক্রিয়াকলাপ প্রকাশমান প্যানক্রিয়াটিক বেটা সেল থেকে ইনসুলিন উৎপাদনের সঙ্গে নির্ভর করে। এছাড়াও এক্সট্রাপ্যানক্রিয়াটিক প্রভাবও রয়েছে, যেমন বেসল হেপাটিক গ্লুকোজ উৎপাদন হ্রাস, পিন্ড জাতীয় শোষণশক্তির মাধ্যমে বেটা সেলদের গ্লুকোজ প্রসার বৃদ্ধি এবং ইনসুলিন উৎসর্গের জন্য কাজ করতে পারে। এটি একটি দৈনন্দিন ঔষধ হওয়ার কারণে, সে বিপক্ষে মাসিক রক্ত ও পেশাবের লগবই ফলো-আপের ফলে শুরু এবং রক্ত চর্চার উপর নির্ভর করে শক্তি নির্ভরশীল প্রাথমিক ও মেইনটেইন ডোজগুলি সেট করে।

প্রাইড 4 এমজি এর পর্শ্ব প্রতিক্রিয়া

গ্লাইমেপিরাইড একটি সালফোনিউলিন এন্টিডায়েটিক এজেন্ট, যা রক্ত শর্করার শ্রেণীকরণ হ্রাস করে। গ্লাইমেপিরাইডের প্রাথমিক কার্যকর কাজের মেকানিজম প্যানক্রেয়েটিক বিটা কোষদ্বারা ইনসুলিন মুক্ত করা উৎসাহিত করা। গ্লাইমেপিরাইড খুবই নিম্নস্তরের লিভার শর্করা উৎপাদন, ইনসুলিন ও গ্লুকোজের পার্শ্বপ্রভাব সহ কাজ করে। ডাক্তার পরামর্শ দেয় কারণ সেই একজন রোগীর বর্তমান লাইফস্টাইল দেখেই ডোজ বেছে নেওয়া হয়। কোনো আহারের জন্য অপেক্ষা করার মানে নয়, প্রাতিদিন একবার সেই ঔষধটি গ্রহণ করতে হবে। সাবধানতা অবলম্বন করা আবশ্যক যা রোগীদের হাইপো অথবা হাইপারগ্লাইসেমিয়া রোগ প্রতিরোধ করবে। এছাড়াও, এর অপেক্ষাকৃত মাত্রা বৃদ্ধি হলে, গ্লাইমেপিরাইড প্রয়োজন কমে যাবে।

প্রাইড 4 এমজি এর প্রয়োজনীয় তথ্য

প্রাইড 4 এমজি হচ্ছে সালফনিলিউরিয়া এন্টিডায়েবেটিক এজেন্ট। এটি রক্তে গ্লুকোজ উপাদানের মাত্রা হ্রাস করে। প্রধান ক্রিয়া পদ্ধতি হল ইনসুলিন উৎপাদন বাড়ানো। গ্লাইমেপিরাইড ডাক্তারের নির্ধারিত মাত্রা মেটাতে ব্যবহার করা উচিত। মাসিক রক্ত এবং মলের গ্লুকোজ নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে আদর্শ মেটাবলিক কন্ট্রোল প্রাপ্ত হলে, সবচেয়ে কম মাত্রাটি নেওয়া উচিত। আমার স্বাস্থ্যের ধরনের উপর ভিত্তি করে ডোজ এবং সময়সূচী নির্ধারিত করা হয়। হাইপোগ্লাইসেমিয়ার হ্রাসের ক্ষেত্রে একটি ভাল বাড়ানোর পদক্ষেপ দিতে হবে। পরে রোগীর ওজন পরিবর্তন কিংবা জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সময় মডিফিকেশন নেয়া উচিত। পর্যায়বিন্দুতে, আদক্ষতা অধিক হলে, চিকিৎসা চলতে যাবার সময় গ্লিমেপিরাইডের কমতে হবে।

See also  রভামাইসিন 3 MIU: ব্যাবহার বিধি, পার্শ্ব পতিক্রিয়া এবং বিস্তারিত

বিঃ দ্রঃ এই পোষ্টে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্যগত উদ্দেশ্যে শেয়ার করা হয়েছে। এখানে উল্লেখিত ঔষধ সম্পর্কে শুধুমাত্র মৌলিক তথ্য প্রদান করা হয়েছে। কোন অবস্থাতেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ গ্রহণ করা উচিত নয়। যদি কেউ ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত ঔষধ গ্রহণ করেন এবং এর ফলে কোন ক্ষতির সম্মুখীন হন, তাহলে আমাদের ওয়েবসাইট বা এর কোন লেখক সেই ক্ষতির জন্য দায়ী থাকবে না। আপনার সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *